ঈদের মরসুম মানেই দর্শকদের আলাদা প্রত্যাশা। সবাই চায় একটু লার্জার দ্যান লাইফ, একটু হাটকে, এমন কিছু যা কল্পনার বাইরে গিয়ে চমকে দেবে। ঠিক সেই জায়গাতেই বাজিমাত করতে প্রস্তুত আসন্ন ঈদে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা প্রিন্স সিনেমা। আর এই সিনেমাকে ঘিরে এখন থেকেই তৈরি হয়েছে ব্যাপক উত্তেজনা।
বিশাল অ্যাকশন সিকোয়েন্সে ভরপুর প্রিন্স
ইতিমধ্যেই জানা গেছে, প্রিন্স-এর একাধিক বড়সড় অ্যাকশন সিকোয়েন্সের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের মাটিতে টিম যেভাবে অ্যাকশন অংশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে শুট করছে, তা থেকেই বোঝা যাচ্ছে—এই সিনেমায় অ্যাকশনই হতে যাচ্ছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
১৩ই ফেব্রুয়ারি ভোর ৭টা থেকেই শুরু হয়েছে একটি বিরাট ফাইট সিকোয়েন্সের শুটিং। কখন প্যাকআপ হবে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। কারণ দৃশ্যটি নাকি এতটাই বিশাল স্কেলে ধারণ করা হচ্ছে, যা দেখে দর্শকদের শরীরে গুজবাম্পস তৈরি হওয়া একদম স্বাভাবিক!
মেগাস্টার শাকিব খানের ডেডিকেশন
এই সিনেমার সবচেয়ে বড় শক্তি নিঃসন্দেহে মেগাস্টার শাকিব খান। তিনি নিজেই ফাইট সিকোয়েন্সে অংশ নিচ্ছেন এবং শতভাগ ডেডিকেশন দিয়ে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। শুধু তিনিই নন, সহ-অভিনেতারাও নিজেদের চরিত্রকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ঈদে শাকিব খান মানেই বাড়তি প্রত্যাশা। কারণ তাঁর নামই একটি সিনেমাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তবে শুধু নাম নয়—ভালো মেকিং, শক্তিশালী গল্প, মানসম্মত গান ও নিখুঁত নির্মাণ—সব মিলিয়েই হতে হবে পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ। আর সেই পূর্ণতার দিকেই এগোচ্ছে প্রিন্স।
ইন্ডিয়ার শীর্ষ অ্যাকশন মাস্টারের সম্পৃক্ততা
প্রিন্স সিনেমায় অ্যাকশন পরিচালনায় আছেন জনপ্রিয় ফাইট কোরিওগ্রাফার সুনীল রড্রিগেজ। তবে আজকের বিশেষ ফাইট সিকোয়েন্সটি পরিচালনা করছেন ভারতের আরেকজন শীর্ষ অ্যাকশন মাস্টার (নাম এখনও নিশ্চিত নয়)। এতে স্পষ্ট, টিম কোনো ধরনের কমপ্রোমাইজ করছে না অ্যাকশনের মান নিয়ে।
কেন প্রিন্স হতে পারে ঈদের ধামাকা?
- লার্জার দ্যান লাইফ প্রেজেন্টেশন
- হাই-ভোল্টেজ অ্যাকশন সিকোয়েন্স
- আন্তর্জাতিক মানের অ্যাকশন কোরিওগ্রাফি
- মেগাস্টার শাকিব খানের উপস্থিতি
- ঈদ রিলিজের স্ট্র্যাটেজিক টাইমিং
সবকিছু মিলিয়ে প্রিন্স সিনেমা নিয়ে গোটা ইউনিট যেমন আশাবাদী, তেমনি দর্শক—বিশেষ করে শাকিবিয়ান ভক্তরাও—প্রচণ্ড এক্সাইটেড।
বাংলা সিনেমায় নতুন ভাবনার ইঙ্গিত?
যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়, তাহলে ঈদে আমরা এমন একটি সিনেমা পেতে পারি, যা দেখে দর্শক বলবে—
“ওয়াও! বাংলা সিনেমাতেও এভাবে চিন্তা করা যায়!”
এখন শুধু অপেক্ষা সেই দিনের, যখন বড় পর্দায় বিস্ফোরক এন্ট্রি নিয়ে হাজির হবে প্রিন্স। ঈদের ধামাকা কি সত্যিই ইতিহাস গড়বে?
সময়ই তার উত্তর দেবে।






Leave a Reply